দিল্লির মুসলিম সম্প্রদায় নির্বাচনে একতার দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায় যথারীতি আবার ভোট বিভাজন এই কারণেই দিল্লিতে আম আদমি পার্টি জিতেছে। মুসলিমরা একতরফা আম-আদমি-পার্টিকে ভোট প্রদান করেছে। কংগ্রেসকে ভোট প্রদান করলে মুসলিম ভোটের বিভাজন হতো কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায় কংগ্রেসকেও জলাঞ্জলি দিয়ে শুধুমাত্র আম-আদমি পার্টিকে ভোট দিয়েছিল। ফলস্বরূপ দিল্লীর নির্বাচনে আরো একবার AAP ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। সোজা ভাষায় হিন্দুদের একতার অভাব ও মুসলিমদের জোটকে কেজরিওয়ালের জেতার জন্য একটা বড়ো প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। মুসলিমরা একদিকে জোট বেঁধে বিজেপি বিরোধিতা করেছে, অন্যদিকে হিন্দুরা কেজরিওয়াল থেকে পাওয়া সুবিধার খাতিরে বিভক্ত হয়েছে বলে দাবি।
অমিত শাহ একবার নির্বাচন সভায় বলেছিলেন, দিল্লিতে যদি আম আদমি পার্টি জয়লাভ করে, তবে পাকিস্তানে এটি উদযাপিত হবে। এখন অমিত শাহের কথা সঠিক প্রমানিত হচ্ছে। দিল্লীতে নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই পাকিস্তানে উৎযাপন শুরু হয়েছে।
ফাওয়াদ হুসেন নামে একজন পাকিস্তানি মন্ত্রী তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কেজরিওয়ালের দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং শুধু তা-ই নয়, ভারত দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মজা করা শুরু হয়েছে। দিল্লীতে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি হলেও হিন্দুদের একাংশ ভোটের দিনকে নিজের ছুটি মনে করে ভোট দিতে বাড়ি থেকে বের হয় না। আর বাকি ভোট বিভিন্ন পার্টির মধ্যে ভাগাভাগি হয়। অন্যদিকে মুসলিম ভোট একতার সাথে এক পার্টির খাতাতেই পড়ে।

এখন দিল্লীবাসীর দ্বারা নির্মিত ফলাফল দেখে পাকিস্তানের এক মন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মজা উড়াতে শুরু করেছে। ফাওয়াদ হুসেন এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হাসি মজা শুরু করেছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ হোসেন এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বেচারা বলে অভিহিত করেছেন এবং হাসি মজা শুরু করেছেন।